১৫ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাইকোর্টে... ফেনীর ভূইয়া ট্রান্সপোর্ট যেন মোহাম্মদ আলীর ” আলাদীনের... গো’লাগু’লিতে আসামি নি’হত বগুড়ায় টাকাসহ চার ছিনতাইকারী গ্রে’ফতার ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এন্ড কালচারাল এক্সপো...

হুমকির মুখে ৪ মন্দির; মেঘনার প্রবল স্রোতে ১৫ বসত ঘর নদীগর্ভে বিলীন,

 নজুরুল ইসলাম,চাঁদপুর: সমকালনিউজ২৪

চাঁদপুর মেঘনার প্রবল স্রোতে শহর রক্ষা বাঁধের ২শ’ মিটার ব্লক ধসে পুরাণ বাজার হরিসভা এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।

শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ওই এলাকার সেমি পাকা ও টিনের ১৫টি বসতঘর ভেঙে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে হরিসভা এলাকার ৪টি মন্দির ও চলাচলের সড়ক। এদিকে হুমকির মুখে থাকা বহু বসত ঘর ভেঙে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ওই এলাকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলেও জানা যায় এলাবাসীর কাছ থেকে। শনিবার (৩ আগষ্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙন শুরু হয়। রাতেই পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘটনাস্থলে বালি ভর্তি ৫শ’ জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করে।

ভাঙনের শিকার পরিবার গুলো হচ্ছে-হরিসভা এলাকার দ্বীপক দে, গুপিনাথ সাহা, আদিনাথ সাহা, ধ্রুবরাজ সাহা, সুনীল দে, শ্যামল দে, ওয়াজেদ আলী শেখ, অঞ্জু শেখ, আমজাদ আলী মুন্সি, কার্তিক সাহা, সম্ভুনাথ দে, সুশান্ত দে, মানিক সাহা, সঞ্জয় চক্রবর্তী ও বিমল দে । চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় জানান, ভাঙন শুরু হওয়ার পরেই আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি।

স্থানীয় সাংসদ ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানটি রক্ষায় স্পেশাল বরাদ্দ দেন। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়োজিত ঠিকাদার সঠিকভাবে কাজটি সম্পন্ন না করায় আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরো বসতিসহ হরিসভা, কালি, ইসকন ও লোকনাথ মন্দির মেঘনা গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাতেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় ৫শ’ জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ, দমকল বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান জানান, গত কয়েক বছর ধরে একই স্থানে ভাঙন দেখা দিচ্ছে। পুরাণ বাজার এলাকার বাকী অংশ ভাল থাকলেও প্রায় ২শ’ মিটার এলাকায় প্রতিবছর সমস্যা হচ্ছে। আমরা তাৎক্ষনিক জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করছি। পরবর্তীতে ব্লক ফেলে স্থায়ী বাঁধ দেয়া হবে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
চাঁদপুর বিভাগের সর্বশেষ
চাঁদপুর বিভাগের আলোচিত
ওপরে