২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বরিশাল শেবাচিমে ময়লার স্তূপে মিললো ২২ অপরিণত শিশুর... স্বামীর লাশ ওয়ারড্রবে রেখে অফিস করলেন স্ত্রী! ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতে মানববন্ধন বন্য হাতির আক্রমণে নিহত জাসদ নেতা সাইমুন কনক

১০ লাখ টাকায় বিক্রি হয় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন!

 অনলাইন ডেস্ক: সমকাল নিউজ ২৪

মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিট সুকৌশলে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সাত সদস্য গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার ও শনিবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী, মিরপুর ও কলাবাগান এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত এ চক্রটি চাকরি প্রার্থীকে প্রশ্নের উত্তর জানিয়ে দিতে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে ৫-১০ লাখ টাকায় চুক্তি করতো বলে জানিয়েছেন ডিএমপি উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান।

 

শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে মাসুদুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে চুক্তিবদ্ধ প্রার্থীকে উত্তর জানিয়ে এ চক্রটি প্রতি প্রার্থীর সঙ্গে ৫-১০ লাখ টাকায় চুক্তি করতো।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সোহেল রানা, রবিউল আউয়াল, মাহমুদুল, আনসারুল ইসলাম, শ্রী দেবাশীষ, রাজিউর রহমান ও রেজাউল করিম। তাদের মধ্যে তিনজন পরীক্ষার্থী আর অন্য চারজন চক্রটি পরিচালনাকারী। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছে থেকে আটটি প্রশ্নপত্র প্রেরণের ডিভাইস, ২৯টি ব্যাটারি, তিনটি পেনড্রাইভ, নয়টি ব্লুটুথ ডিভাইস, নয়টি বিভিন্ন অপারেটরের সিম কার্ড, আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

 

মাসুদুর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃতদের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ চক্রের কয়েকজন সদস্য ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নেন।

 

তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া মাত্র ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে তা কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানরত চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হতো। বাইরে অবস্থানরত সদস্যরা দ্রুত প্রশ্নপত্র সমাধান করে চুক্তি অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করতো বলে জানান তিনি।

 

মাসুদুর রহমান আরও বলেন, এই চক্রের একজন সোহেল রানা এর আগেও আমাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার ওপর আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ছিল। গতকাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের নিয়োগ পরীক্ষায় এই চক্রটি আবার সক্রিয় হয়। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে উত্তরপত্র সরবরাহ করার চেষ্টা করে। তখন আমরা তাদের গ্রেফতার করি।

 

তিনি জানান, গ্রেফতারের সময় তাদের কাছে থেকে, আটটি প্রশ্নপত্র প্রেরণের ডিভাইস, ২৯টি ব্যাটারি, তিনটি পেনড্রাইভ, নয়টি ব্লুটুথ ডিভাইস, নয়টি বিভিন্ন অপারেটরের সিম কার্ড, আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে