১৫ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাইকোর্টে... ফেনীর ভূইয়া ট্রান্সপোর্ট যেন মোহাম্মদ আলীর ” আলাদীনের... গো’লাগু’লিতে আসামি নি’হত বগুড়ায় টাকাসহ চার ছিনতাইকারী গ্রে’ফতার ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এন্ড কালচারাল এক্সপো...

১৫ এপ্রিল রাবি অধ্যাপক শফিউল হত্যা মামলার রায়

 জান্নাতুল ফেরদৌস, রাবি : সমকালনিউজ২৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লেলিন হত্যা মামলার রায় আগামী ১৫ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে মামলার পিপি অ্যাডভোকেট মো. এন্তাজুল হক এ কথা নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (০৪) রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার রায়ের দিন ধার্য করেন বলেও পিপি জানান।

পিপি এন্তাজুল হক বলেন, ‘মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছে। গত ১৩ মার্চ মামলা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ট্রাইব্যুনালের পিপি যুক্তি উপস্থাপন করে হত্যাকাণ্ডে- জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।’

অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রাষ্ট্রপক্ষ মামলায় আসামিরা যে জড়িত তা প্রমাণে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে রায়ে আসামিরা বেকসুর খালাস পাওয়ার দাবি রাখে।আসামি পক্ষে যক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট মো. একরামুল হক, মিজানু ইসলাম, আবু বাক্কার, রাইসুল ইসলাম ও আব্দুল মালেক রানা।

মামলার চার্জশিটে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত নাসরিন আখতার রেশমার সঙ্গে শফিউল ইসলামের দ্বন্দ্বের জের ধরেই তার স্বামী যুবদল নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে এ হত্যাকা- ঘটিয়েছেন। পরে নাসরিন আখতারও বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

চার্জশিটে অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, আব্দুস সালাম পিন্টু, পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আক্তার রেশমা, যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম মানিক, সবুজ শেখ, সিরাজুল ইসলাম কালু, আল-মামুন, সাগর, জিন্নাত ও আরিফ।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ড. শফিউল ইসলাম লেলিনকে। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মুহাম্মদ এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকা-ে জড়িত সন্দেহে ওই বছরেরই ২৩ নভেম্বর যুবদল নেতা আব্দুস সামাদ পিন্টুসহ ৬ জনকে আটক করে র‌্যাব।

পরে পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আখতার রেশমাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের- দায় স্বীকার করে রেশমা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। এর এক বছর পর ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউস সাদিক রাজশাহী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
রাজশাহী বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে