২১শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং ৮ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
আমি চাইলে নিশ্চয় দোষের হবে না বিমানের টয়লেটে মিলল ১৪ কেজি সোনা পিরোজপুরের নাজিরপুরে শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধন করলেন... রাজাপুর ভিজিডি কার্ড বিতরণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ স্কুলছাত্রী নিপাকে কৃত্রিম পা লাগাতে নেয়া হবে বিদেশে

২০০ বছরের পুরনো হাজী মুহসিন প্রতিষ্ঠিত বন্ধ হয়ে যাওয়া মাদরাসাটি আবারো চালু করছেন মমতা

 আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সমকাল নিউজ ২৪
২০০ বছরের পুরনো হাজী মুহসিন প্রতিষ্ঠিত বন্ধ হয়ে যাওয়া মাদরাসাটি আবারো চালু করছেন মমতা

হুগলিতে হাজী মুহসিনের প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটি দীর্ঘদিন শিক্ষা দফতরের অধীনেই ছিল। ২০০৮ সালে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে এ মাদরাসাটি মাদরাসা শিক্ষা দফতরের অধীনে আনা হয়। এরপর সেখানে পড়ালেখার কার্যক্রম শুরু হলেও চলছিল খুড়িয়ে খুড়িয়ে। ২০০ বছরের পুরনো এই মাদরাসাটি নতুন করে শুরু করতে চাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এজন্য গত ২৫ জুলাই সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতর ও মাদরাসা শিক্ষা দফতরের সচিব পিবি সেলিমকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পাঠান তিনি। কীভাবে এই পুরনো মাদরাসাকে স্বমহিমায় ফেরানো যায় সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে তাকে পাঠানো হয়। তিনি শিক্ষক-পড়ুয়াদের কথাও শোনেন। মুখ্যমন্ত্রী হুগলি মাদরাসা চালু করতে চাইছেন। সব কিছু ঘুরে দেখেছি। ২০০ বছরের পুরনো এই মাদরাসাকে চালু করার চেষ্টা হচ্ছে।

ভারতের হুগলিতে ১৮১৭ সালে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হাজী মুহাম্মদ মুহসিন। সেই মাদরাসায় পড়ালেখা করেছেন সৈয়দ আমির আলী, ফুরফুরার পীর আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তি। মাদরাসাটিতে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো।

মাদরাসা শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যে ৪৪টি মাদ্রাসা আছে তাদের অধীনে। আর ৬১৪টি মাদরাসা রয়েছে মাদরাসা পর্ষদের আওতায়। হুগলি মাদরাসা দীর্ঘদিন শিক্ষা দফতরের অধীনেই ছিল। ২০০৮-এ সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে তাকে মাদরাসা শিক্ষা দফতরের অধীনে আনা হয়। কী ভাবে এই পুরনো মাদরাসাকে স্বমহিমায় ফেরানো যায়, চেষ্টা চলছে।

মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন ফুরফুরা শরিফের সঙ্গেও যুক্ত। তিনি জানান, ১৮১৭ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন হাজি মহম্মদ মহসীন। ক্রমশ পড়ুয়া কমতে থাকে। এখন প্রায় বন্ধ ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ৬১৪টি মাদরাসার উন্নয়ন করেছেন। এটার জন্য কিছু করবেন নিশ্চয়ই।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
আন্তর্জাতিক বিভাগের আলোচিত
ওপরে