২৬শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
না’গঞ্জে গোল্ডেন চেস আন্তজার্তিক রেটিং দাবায় হানিফ... আমতলীতে চো’রাই গরু উ’দ্ধার শার্শা উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় করলেন... মতলবে ফলদ বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন- এমপি নুরুল আমিন দু “বছর পূর্তিতে দাবী নিয়ে রোহিঙ্গাদের বিশাল সমাবেশ

৩-৪ মিনিট আগে পৌঁছালে বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভয়ানক কিছু ঘটতো : খালেদ মাসুদ

 খেলাধুলা ডেস্কঃ সমকালনিউজ২৪
৩-৪ মিনিট আগে পৌঁছালে বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভয়ানক কিছু ঘটতো : খালেদ মাসুদ

ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে যখন গোলাগুলি চলছে, বাংলাদেশ দলের বাস তখন মসজিদের ৫০ গজের চেয়ে কাছে। গুলিবিদ্ধ, রক্তাক্ত মানুষদের ছুটে বেরিয়ে আসতে দেখেছে দল। দলীয় ম্যানেজার খালেদ মাসুদ জানিয়েছেন, আর ৩-৪ মিনিট আগে পৌঁছালে মসজিদের ভেতরই থাকতেন তারা। বিশাল কিছু, ভয়ানক ঘটনা ঘটে যেতো।

হামলার পর ইতিমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে বাংলাদেশ-নিউ জিল্যান্ড সিরিজের শেষ টেস্ট। ফ্লাইট সূচি ও টিকিট মিলিয়ে যত দ্রুত সম্ভব দল দেশে ফিরবে, নিশ্চিত করেছেন ম্যানেজার।

ঘটনার পর মাঠ হয়ে নিরাপদে হোটেলে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। পরে ম্যানেজার খালেদ মাসুদ জানালেন, হামলার শিকার হওয়ার কতটা কাছাকাছি তারা ছিলেন।

“আমরা খুবই সৌভাগ্যবান, আমরা বাসে ১৭ জনের মতো ছিলাম। দুইজন ক্রিকেটার শুধু হোটেলে ছিল, বাকি সবাই নামাজ পড়তে যাচ্ছিলাম। আমরা খুবই কাছে ছিলাম। মসজিদ দেখতে পাচ্ছিলাম কাছ থেকে, খুব বেশি হলে ৫০ গজের মতো দূরে ছিলাম। খুবই ভাগ্য ভালো যে, ৩-৪ মিনিট আগে চলে এলেও হয়তো মসজিদের ভেতরে থাকতাম। বিশাল কিছু, ভয়ানক ঘটনা ঘটে যেতে পারত।”

“শুকরিয়া আদায় করব যে আমরা ওই জায়গায় ছিলাম না। আমরা ভিডিওর মতো দেখছিলাম, সিনেমার যেমন দেখা যায়, বাসের ভেতর থেকে দেখছিলাম বেশ কিছু মানুষ রক্তাক্ত অবস্থায় বেরিয়ে আসছে। প্রায় ৮-১০ মিনিট আমরা বাসের ভেতরই ছিলাম। মাথা নিচু করে ছিল সবাই, যাতে কোনো কারণে গুলি আসে।”

ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ক্রিকেটাররা। যেসব ছবি সংবাদমাধ্যমে আসছে, দেখা যাচ্ছে ক্রিকেটারদের চেহারায় আতঙ্কের ছাপ। ম্যানেজার জানাচ্ছেন, ক্রিকেটারদের মানসিকতায় গভীর ছাপ ফেলেছেন এই ঘটনা।

“এটা খুবই স্বাভাবিক, সামনে যখন এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে, সরাসরি দেখছেন রক্তাক্ত মানুষ বেরিয়ে আছে, এসব দেখে যে কারও ভেঙে পড়ার কথা। নিজের গায়েও লাগবে কিনা, কেউ নিশ্চিত ছিল না ওই মুহূর্তে। ক্রিকেটাররা বাসের ভেতর অনেকেই কান্নাকাটি করেছে, কি করলে বেরিয়ে আসতে পারি, এসব কথা হয়েছে। খুবই কঠিন ছিল। এসব তো মানসিকতার ওপর প্রভাব ফেলে। ম্যানেজার হিসেবে চেষ্টা করেছি সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে ড্রেসিং রুমে ফিরিয়ে আনতে।”

ম্যানেজার জানালেন, যতটা দ্রুত সম্ভব, দেশে ফেরার ব্যবস্থা করছেন তারা।

“এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি (ফেরার সময়ের), ফ্লাইট সূচির ব্যাপার আছে, টিকিটের ব্যাপার আছে। এতগুলি টিকিট একসঙ্গে পাওয়া কঠিন, ১৯ জনের মতো যাব ঢাকায়। সাপোর্ট স্টাফদের কেউ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, কেউ দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবে। ওরা হয়তো টিকিট পেয়ে যাবে দ্রুত। আমাদের এই ১৯ জনের হয়তো এক ফ্লাইটে সম্ভব না হলেও ভাগ ভাগ করে চাইছি, যত দ্রুত সম্ভব চলে যেতে।”

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে