১৮ই এপ্রিল, ২০১৯ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
লাইভে কুরআন ছিড়ে টয়লেটে নিক্ষেপ সেফুদার, ফাঁসি দাবী বরগুনায় মানবিক সহায়তা’১৯ প্রকল্পের শিক্ষণ কর্মশালা... অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও খেলার সামগ্রী... নওগাঁয় ১১ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২২ উপজেলা ভাইস... চিলমারীতে টানা পাঁচবারের মতো নির্বাচিত উপজেলা...

৮ বছর পর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মজিদ, ফিরে পেল আপন ঠিকানা

 মোঃ জিয়াদুল হক, পিরোজপুর সমকাল নিউজ ২৪

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে পথ ভুলে আসা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী আঃ রহিম ওরফে মজিদ ৮ বছর পর ফিরে পেল তার বাবা-মাকে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর উপজেলার উত্তমপুর গ্রামের কৃষক মো. ইউনুস হাওলাদারের ছেলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী আঃ মজিদ হাওলাদার বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে একটি মাহফিলে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোজা খুজি করেও তার কোন সন্ধান পায়নি তারা। পরে গত কয়েকদিন পূর্বে ঝন্টু নামক এক ফেরিওয়ালা রহিমের বাবা-মার সাথে দেখা হলে ছেলে হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা হলে ওই ফেরিওয়ালা তাদের সন্তানের সন্ধান দেয়। ফেরিওয়ালার দেয়া তথ্য অনুযায়ী রোববার রহিমের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা ইন্দুরকানীতে এসে রহিমকে দেখে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন,তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। ইন্দুরকানী বাজারের ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষ তাদের দেখে ভিড় জমায়। পথ ভুলে ৮ বছর আগে রহিম ইন্দুরকানী বাজারে এলে বাজারের ব্যবসায়ীরা তাকে আশ্রয় দেয়।

তখন সে কোন কথা বলতে পারত না। তাই বাজারের ব্যবসায়ীরা তার নাম দিয়েছিল মজিদ। আর মজিদ নামেই তাকে সকলের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে। দীর্ঘ এই সময়ে সবার সাথে মজিদের খুব ভাল সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়।

মজিদ মানুষের বাসার বাজার এগিয়েদিত,কারো গাড়ি ঠেলে দিত এভাবেই চলছিল মজিদ ওরফে আঃ রহিমের জীবন , মাঝে স্থানীয় সংবাদকর্মিরা বিভিন্ন কাগজে মজিদেকে নিয়ে নিউজ করেছিল, তবুও সন্ধান পাননি তার পরিবার।

আঃ রহিমের পিতা মো. ইউনুস হাওলাদার জানান, ৮ বছর আগে বাড়ি থেকে একটু দূরে একটি মাহফিলে গিয়ে হারিয়ে যায়। এরপর তাকে আর খুজে পাইনি। এক ফেরিওয়ার কাছে জানতে পেরে ইন্দুরকানীতে এসে তাকে পাই।

ইন্দুরকানী বাজারের ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান খান জানান, পথ ভুলে আসা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী রহিমকে আমরা ব্যবসায়ীরা আশ্রয় দেই। আমার বাড়িতেই রহিম বেশির ভাগ সময় খাওয়া-দাওয়া করত। তার বাবা-মাকে পেয়ে তাদের হাতে রহিমকে তুলে দিই।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে